সদর প্রতিনিধি :
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ
হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বে ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সংগ্রামী জননেতা নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপির নেতৃত্বে আগামী দিনের রাজনীতি ও জনগণের সেবায় নিয়োজিত থেকে কাজ করাই আমার একমাত্র লক্ষ্য।
ফেনী সদর উপজেলা পরিষদের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী শুসেন চন্দ্র শীল
তৃণমূলের ভোটাভুটিতে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে বিজয়ের পর তাৎক্ষনিক সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
শুসেন শীল বলেন, ফেনী জেলা আওয়ামী লীগ, পৌর আওয়ামী লীগ ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সমন্বয়ে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের নিরঙ্কুশ সমর্থন পেয়েছেন তিনি। তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনীতির ধারাবাহিকতাকে তৃণমূলের সহকর্মীরা যথাযথ মূল্যায়ন করেছেন তাই তিনি সকল ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এজন্য তিনি জননেতা নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপি ও সর্বোপরি ফেনীবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, যারা এ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হয়েছেন আগামী দিনে তাদেরকে সাথে নিয়েই তিনি কাজ করে যাবেন।
অপরদিকে ফেনী সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নৌকার মাঝি শুসেন চন্দ্র শীল এর রয়েছে বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন। তিনি ২০০১ সালে পরবর্তী বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের
দুঃশাসনের রোষানলে ফেনী যখন নেতৃত্ব শুণ্য তখন ফেনী জেলা ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দিয়ে সকল
আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। ১৯৯০ সালে সদর উপজেলার বালিগাঁও ইউনিয়নের
একটি সম্পাদকীয় পদে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতি শুরু করলেও তিনি বর্তমানে ফেনী সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়া তিনি আওয়ামী লীগের সহযোগী ভাতৃপ্রতিম সংগঠন জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন রাজননৈতিক পদ-পদবীতে দীর্ঘ ৩০ বছর পার করেছেন। দলের দুঃসময়ে শুসেন শীল ফেনীর আওয়ামী রাজনীতিতে আন্দোলন-সংগ্রামে
সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৬ সালের নির্বাচন পূর্ব পর্যন্ত বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া বিরোধী সকল আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন। ১৯৯৪ সালে ফেনীর মহিপালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাবেশে কালো পতাকা মিছিল প্রদর্শনে সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল তাঁর। বিএনপির সন্ত্রাসীদের অমানুষিক নির্যাতনেও তিনি রাজপথ ছেড়ে যাননি। ১/১১ তৎকালীন সময়ে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা গ্রেপ্তারের পর ফেনীর রাজপথে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে নেতৃত্ব প্রদান করেন তিনি।
২০০১ পরবর্তী চরম প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও ফেনী ছেড়ে যাননি, মামলা-হামলাও
রাজনীতি থেকে দূরে সরেননি তিনি। মুজিব আদর্শ ধারণ করে রাজপথে মিটিং-মিছিলে হামলা-নির্যাতন সহ্য করে মাঠে থেকে সহকর্মীদের নেতৃত্ব দিয়েছেন, দমাতে পারেনি শুসেন চন্দ্র শীলকে।
বর্তমানে শুসেন শীল রাজনৈতিক নেতৃত্ব প্রদানের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন শিক্ষা, ক্রীড়া, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনেও সফলতার সাথে নেতৃত্ব দিয়ে মানবিক সেবা প্রদান করে আসছেন।
প্রসঙ্গত; রাজনৈতিক পদ-পদবীতে শুসেন চন্দ্র শীল ১৯৯৬ সালে ফেনী সদর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম
সাধারণ সম্পাদক, ১৯৯৮ সালে সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, ২০০৩ সালে জেলা
ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, ২০১২ সালে জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহŸায়ক, ২০১৬ সালে জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সর্বশেষ ২০১৮ সালে ফেনী সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
- » বাংলাদেশ সম্মিলিত শিক্ষক সমাজ ফেনী জেলা আহবায়ক কমিটি গঠিত
- » ফেনী বন্ধুসভার বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ
- » আমার দেশ সম্পাদকের রত্নগর্ভা মাতা অধ্যাপিকা মাহমুদা বেগমের মাগফিরাত কামনায় ফেনীতে দোয়া
- » গাজীপুরে সাংবাদিক তুহিন হত্যার প্রতিবাদে ফেনীতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন
- » ফেনীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাংবাদিকদের উপর হামলার গোপন পরিকল্পনা ফাঁস
- » জনতার অধিকার পার্টির চেয়ারম্যানের উপর হামলা, সংবাদ সম্মেলন
- » ফেনী পৌর বিএনপির সদস্য নবায়ন কর্মসূচি উদ্বোধন
- » ফেনীতে হেফাজতের দোয়া মাহফিলে আজিজুল হক ইসলামাবাদী- ‘আলেম সমাজ ঐক্যবদ্ধ থাকলে দেশে আর ফ্যাসিবাদ সৃষ্টি হবে না’
- » ফেনীতে হাফেজ তৈয়ব রহ. স্মরণে দোয়ার মাহফিল
- » ছাত্র জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে ফেনীতে বিএনপি’র বর্ণাঢ্য বিজয় মিছিল, সমাবেশ “গণহত্যার দ্রুত বিচার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবি”









